২০১৮ সালের মামলা-হামলার অন্ধকার সময়ে তৃণমূলের ভরসা ছিলেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ

 


২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারাদেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায়ও বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নেমে এসেছিল মামলা-হামলার ভয়াবহ ঝড়। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী গায়েবি মামলা ও দমননীতির শিকার হন। সে সময়ে অনেক শীর্ষ নেতা আত্মগোপনে চলে গেলেও তৃণমূল বিএনপির ভরসা হয়ে দাঁড়ান কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।

২০১৮ সালের মামলা-হামলার অন্ধকার সময়ে তৃণমূলের ভরসা ছিলেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ

তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, ২০১৮ সালে যখন মামলা ও হামলার চাপে তারা দিশেহারা ছিলেন, তখন মেহেদী হাসান পলাশ নিজেকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে প্রতিনিয়ত ছুটে বেড়িয়েছেন বাঞ্ছারামপুর থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে বাঞ্ছারামপুরে। তিনি আদালতের এক বারান্দা থেকে অন্য বারান্দায়, আবার জেলখানা থেকে জেলখানায় গিয়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।


“ইয়া নাফসি নয়, ইয়া কর্মী”

তৃণমূলের ভাষ্যে, অনেক নেতা তখন “ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি” বলতে বলতে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় বা বিদেশে চলে যান। কিন্তু পলাশ ভাই তখন বলতেন “ইয়া কর্মী, ইয়া কর্মী”। তিনি নিজের জীবন, যৌবন, অর্থ ও পরিবারকে উপেক্ষা করে দলের জন্য আত্মনিবেদন করেন।


সংগঠনের নেতৃত্বে নতুন শক্তি

দলীয় সূত্র জানায়, মেহেদী হাসান পলাশের নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি আজ সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ। প্রতিটি আন্দোলন, অবরোধ ও কর্মসূচিতে তার নেতৃত্বে বিএনপি স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটাই দাবি—
👉 আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৬ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হবেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।


মামলা-হামলার দীর্ঘ তালিকা

সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে বাঞ্ছারামপুর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

  • জি.আর ৭/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০৫, বিদ্রোহকারী আইনের ৩/৬ ধারা

  • জি.আর ১১৭/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-১০, দণ্ডবিধির ১৪৩/০০৩/০৩০/০০৭/০৪ ধারা

  • জি.আর ১১৬/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০৯, বিদ্রোহকারী আইনের ৩/৬ ধারা

  • জি.আর ১০৯/২০১৮, বাঞ্ছারামপুর থানা-০২, দণ্ডবিধির ১৪৩/০০৩/০৩০/০০৭/০৫ ধারা

  • বিজয় ৫৬/২৩, বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫ ধারা

(দলীয় নথিতে আরও ১৯টির বেশি মামলা তালিকাভুক্ত আছে)


তৃণমূলের কৃতজ্ঞতা

নেতাকর্মীরা জানান, পলাশ ভাই ও গোলাপ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে স্বৈরাচারের দেওয়া মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার বোঝা থেকে তারা মুক্ত হয়েছেন। তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা এ জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সুযোগ এলে প্রতিদান দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন